রাজধানীর মিরপুর পল্লবীতে মধ্যরাতে যাত্রী সেজে পাঠাও চালকের গলা কেটে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘাতক ছিনতাইকারী কাওসার আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন মিরপুর বিভাগের পল্লবী জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে গাবতলী যাওয়ার উদ্দেশ্যে কাওসার মোটরসাইকেলে ওঠে। কোনো ধরনের অ্যাপ ব্যবহার না করে মৌখিক চুক্তিতে যাত্রী তুলেন নিহত রাজা। মোটরসাইকেলে উঠে কাওসার সরাসরি গাবতলী না গিয়ে পাঠাও চালককে পল্লবীর ধ ব্লকের নিরিবিলি একটি স্থানে নিয়ে যায়। সেখানেই পেছন থেকে ধারালো কাটার দিয়ে গলায় টান দেয়। এতে মোটরসাইকেল চালকের শ্বাসনালি কেটে যায়। পরে মোটরসাইকেল থেকে নেমে কাওসার একটু দূরে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। এই সময়ে পাঠাও চালক বাঁচার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। যেহেতু শ্বাসনালি কেটে গেছে তাই তিনি আওয়াজ করতে পারছিলেন না। পরে তিনি সেখানেই মারা যান। এরপর ঘাতক কাওসার মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছু দূর যাওয়ার পরে ঢাকা জেলার একটি চেকপোস্ট দেখে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন।
এডিসি আরিফ আরও জানান, নিহত রাজা ঢাকায় পরিবার নিয়ে থাকত। তাঁর দুটি যমজ সন্তান রয়েছে। গ্রামের বাড়ি শেরপুরের নলিতাবাড়ী উপজেলায়। তাঁর মরদেহ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ছিনতাইকারী কাওসার গাবতলি একটি পরিবহনে কাজ করত। তিনি পল্লবীতে থাকত। এ বিষয় আরও বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলেও জানান এডিসি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে