ঢাকাস্থ পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘ ও শাক্যমুনি বিহার পরিচালনা কমিটির যৌথ উদ্যোগে শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে ৩৫তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
গৌতম বুদ্ধের দিক নির্দেশনার আলোকে প্রবর্তিত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় ১৬ ও ১৭ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে যেসব ভিক্ষু তিন মাসের বর্ষাব্রত অধিষ্ঠান সমাপ্ত করেছেন সেই ভিক্ষুসংঘকে ধর্মীয় নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দানোত্তম কঠিন চীবর দান করা হয়।
প্রথমবারের মতো শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী বুনন পদ্ধতিতে বেইন বুনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চীবর তৈরি করে উপ–সংঘরাজ ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো ভান্তের সভাপতিত্বে ভিক্ষু সংঘকে সেই কঠিন চীবর দান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভিক্ষু সংঘের পক্ষ থেকে সদ্ধর্ম দেশনা করেন ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো ভিক্ষু, উপ–সংঘরাজ, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ, গুণপ্রিয় মহাথেরো, উপতিষ্য স্থবির, বিপর্সী মহাথেরো ভিক্ষু প্রমুখ।
এ ছাড়া পাহাড় ও সমতল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট বৌদ্ধ মনীষী ও ঢাকাস্থ সদ্ধর্ম পিপাসু বৌদ্ধ দায়ক–দায়িকারা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি নবজ্যোতি খীসার স্বাগত বক্তব্যের পরে জ্ঞানেন্দ্রীয় চাকমা, প্রকৌশলী পুলক জীবন খীসা, কীর্তি নিশান চাকমা, গৌতম অরিন্দম বড়ুয়া, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) পরিমল বিকাশ চাকমা বক্তব্য দেন।
দুই দিনব্যাপী এ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৫টায় বিশ্বশান্তি কামনায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

রাশিয়ায় যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের যুদ্ধের সম্মুখভাগে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের একটি বড় অংশ নিহত হয়েছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি ফোনালাপের অডিও ক্লিপকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে তিনটি পরিবার চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
১৬ মিনিট আগে
দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীর ভাঙনরোধে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তবে এই বাঁধ নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে হালদা থেকেই অবৈধভাবে তোলা বালু।
৭ ঘণ্টা আগে
নাটোরের গুরুদাসপুরে প্রায় ১২ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় গত ৯ জুন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে চিঠি দিয়ে কাজ বন্ধ ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
৭ ঘণ্টা আগে
১৫ জুন, বাংলা পয়লা আষাঢ়; যা আষাঢ়স্য প্রথম দিবস হিসেবেও পরিচিত। এদিনই রাজধানীতে উদ্যাপিত হবে বর্ষা উৎসব। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সংগীত, নৃত্য এবং নানা আয়োজনে মেতে উঠবে বর্ষাকে স্বাগত জানাতে।
৭ ঘণ্টা আগে