Ajker Patrika

অন্তর্বর্তী সরকারের জ্বালানি মহাপরিকল্পনাকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলে যেসব প্রশ্ন তুলল সিপিডি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন করে সিপিডি। ছবি: সংগৃহীত
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন করে সিপিডি। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা ২০২৬—২০৫০-এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হেলেন মাশিয়াত, রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মেহেদী হাসান শামীম, আবরার আহমেদ, আতিকুজ্জামান সাজিদ, সাবিহা শারমিন প্রমুখ।

গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রশ্ন থাকবে, কেন এই মহাপরিকল্পনার মিশন ও ভিশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির রিফ্লেকশন নেই? কেন সোলার নাম ব্যবহার করে অন্যান্য কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানিকে কেন এখানে সোলার না দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে? আগের সরকার তাকে ক্লিন ফুয়েল বললেও সরকার তার ধার ধারেনি। এ খসড়ায় এলএনজি অবকাঠামোর বিপুল পরিকল্পনা উঠে এসেছে। অথচ যেখানে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত একটা বিপুল দেনার মধ্যে রয়েছে। পরিকল্পনাটা হওয়া উচিত ছিল দেনা থেকে কীভাবে উত্তরণ করা যায়। আমরা দেখতে পাচ্ছি সমস্যাগুলোর সমাধান না করে সমস্যাগুলো জিইয়ে রাখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।’

গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার যে খসড়া, তা ত্রুটিপূর্ণ। যা অংশগ্রহণমূলক নয় এবং একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ এখানে রক্ষা করা হচ্ছে। দীর্ঘ মেয়াদে এ পরিকল্পনা কার্বন নিঃসরণ রোধ প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করবে এবং দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির সম্প্রসারণ করবে ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে। অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত এই মহাপরিকল্পনার কার্যক্রম স্থগিত করা।’

নতুন যে রাজনৈতিক দল নির্বাচিত হয়ে আসবে, তাদের পক্ষ থেকে একটি নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তা যেন গবেষণাধর্মী, অংশগ্রহণমূলক ও দেশের সব পক্ষকে সঙ্গে রেখে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা তৈরি করা হোক। এই পরিকল্পনা তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই একটি নিরপেক্ষ প্যানেল তৈরি করে দিতে হবে, যাতে ব্যুরোক্রেটদের উপস্থিতি যেন না থাকে। অর্থাৎ খসড়াটি যেন প্রভাবমুক্ত থাকে। রাজনৈতিক দলগুলো যেহেতু এখন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রয়েছে, তারাও যেন সরকারকে অনুরোধ করে এ রকম পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকতে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সিলেটে বিএনপি নেতা মানিক সেনাবাহিনীর হাতে আটক

আজকের রাশিফল: আপনার স্পষ্ট কথা কারও বুক ফুটা করে দিতে পারে, পকেট সামলান

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীকে টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেল অভিবাসন পুলিশ

বিমানের পরিচালক হলেন খলিলুর রহমান, ফয়েজ তৈয়্যব ও ইসি সচিব

পরিচালক পদ থেকে কেন নাজমুলকে সরিয়ে দিতে পারেনি বিসিবি

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত