
নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। গতকাল সোমবার (৩ মার্চ) ভোর থেকে দিনব্যাপী উপজেলার মির্জার চর ইউনিয়নের একটি দুর্গম চরে এ অভিযান চালানো হয়।
গতকাল সোমবার রাতে আইএসপিআরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড, আর্মি অ্যাভিয়েশন, র্যাব, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালায়। এ সময় দেড় শতাধিক ধারালো অস্ত্র, তিনটি মোবাইল ফোন এবং ২০ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরে জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় আটক ব্যক্তিদের হস্তান্তর করা হয়। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে