
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা স্কুলটির শিক্ষক মাহফুজা খাতুন মারা গেছেন। এ নিয়ে বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাল মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আয়াসহ ৩৫ জন।
এর আগে বিমান দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেহরীন চৌধুরী, মাসুকা বেগম নামে আরও দুজন শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছিল।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মাহফুজা খাতুন মারা যান বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি বলেন, মাহফুজা খাতুনের (৪৫) শ্বাসনালিসহ শরীরের ২৫ শতাংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে বিমান দুর্ঘটনায় বার্ন ইনস্টিটিউটে ১৯ জনের মৃত্যু হলো। এখন এখানে ২৩ জন ভর্তি আছে। দুর্ঘটনায় আহত ১৪ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
গত ২১ জুলাই দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৫ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি আহত হয় ১৭৩ জন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে