
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়ামের একটি বিশেষ চালান পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে এসে পৌঁছেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আগের চালানে ‘বাতিলযোগ্য’ জ্বালানির পরিবর্তে ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল বা ইউরেনিয়াম বহনকারী গাড়িবহর রূপপুর প্রকল্পের ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি কর্মকর্তাসহ নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রূপপুর প্রকল্প পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান মোবাইল ফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য মোট ১৬৮টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি করা হয়েছে। গত বছর এগুলো রূপপুর প্রকল্পের অভ্যন্তরে আনা হয়। কিন্তু ১৬৮ টির মধ্যে ১টি সে সময় কিঞ্চিৎ বাঁকা থাকায় সেটি বাতিলযোগ্য ছিল। তাই গতকাল ইউরেনিয়ামের নতুন একটি অ্যাসেম্বল আনা হয় রাশিয়া থেকে। একই সঙ্গে বাতিল করা এটি দ্রুত রাশিয়ায় ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে রাশিয়া থেকে একটি বিশেষ বিমানে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা ও পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর রূপপুর প্রকল্পের অভ্যন্তরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সেটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়। এরপর দ্বিতীয় চালান ৬ অক্টোবর, তৃতীয় ১৩ অক্টোবর, চতুর্থ ২০ অক্টোবর, পঞ্চম ২৭ অক্টোবর, ষষ্ঠ চালান নভেম্বরের ৩ তারিখ আসে। এরপর ১১ নভেম্বর আসে প্রথম ইউনিটের সর্বশেষ ফুয়েল বা ইউরেনিয়াম।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিশেষ বিমানে রাশিয়া থেকে জ্বালানির এই বিশেষ চালানটি ঢাকা বিমানবন্দরে আনা হয়। এরপর সেটি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়। সেখান রাতেই রূপপুর প্রকল্পের জন্য বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে রূপপুরের জন্য রওনা হয়। পরে শুক্রবার সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নে পদ্মা নদীর কোল ঘেঁষে নির্মাণাধীন প্রকল্পের অভ্যন্তরে আনা হয়। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল সংরক্ষিত করা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে