ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী মনিরুজ্জামান ওরফে মাসুম (৪৮) নামে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি মারা গেছেন।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডে মারা যান। গতকাল বিকেলে ওই বন্দীকে কারারক্ষীরা হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘কারাগার থেকে কারা চিকিৎসকের পরামর্শে কারারক্ষীরা অসুস্থ অবস্থায় ওই বন্দীকে হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।’
জানা গেছে, ওই বন্দীকে গাজিপুর কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার হতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়। কেন্দ্রীয় কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে গতকাল বেলা সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। চিকিৎসকেরা হাসপাতালের নতুন ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
মনিরুজ্জামান ওরফে মাসুমের বাড়ি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পিয়ারপুর গ্রামে। বাবার নাম মজিবর রহমান। ঈশ্বরদী থানার হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিল। তার কয়েদি নম্বর-৪৬৮১ /এ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে