চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ তানজিন হামিদ মিতুল। গত শনিবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) হাতিরঝিল থানায় এই অভিযোগ করেন তিনি। আজ সোমবার রাতে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু।
ওসি বলেন, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ তানজিন হামিদ মিতুল চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছেন। আমরা বিষয়টি যাচাই করে দেখেছি। তবে এখনো মামলা হয়নি। মামলা করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
মিতুল বিএনপির ষষ্ঠ প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ারের ছেলে প্রয়াত খন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলুর স্ত্রী। তাঁর বড় বোনের নাম শারমিন ওয়াদুদ নিপা।
অভিযোগে বলা হয়, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিপা ফোনে জানান, তাঁর ১ লাখ টাকা প্রয়োজন। ফোন পেয়ে তিনি রাত সোয়া ১১টার দিকে বোনের বাসা মগবাজারের গাবতলায় যান। সেখানে কথিত যুবদল কর্মী শাওন (২৫), হাবিব (৩৫), সাজিদ (২২) ও সানি (৩৫) উপস্থিত ছিলেন। তিনি মামলার চার আসামিকে নিপার বাসায় দেখতে পান। এত রাতে বাসায় ঢোকার কারণ জানতে চাইলে মিতুলকে আসামি শাওন কোমরে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখান। তাঁরা ১ লাখ টাকা দাবি করে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁদের কথামতো রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে মগবাজারে ব্যাংকের বুথ থেকে ৮০ হাজার টাকা তুলে সানিকে দেওয়া হয়। সঙ্গে দেওয়া হয় ২০ হাজার টাকার একটি চেক।
অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা আগামী মাসে নিপাকে তাঁর ফ্ল্যাট খালি করে দিতে বলেছে। খালি না করলে নিপা ও তাঁর সন্তানদের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর থেকে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
তাঁর এই অভিযোগ সোমবার রাত সাড়ে ৯টায়ও মামলা হিসেবে গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হয়নি বলে জানিয়েছেন হাতিরঝিল থানার ওসি।
খন্দকার দেলোয়ার হোসেন মানিকগঞ্জ ও ঢাকা থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর ছেলে আব্দুল হামিদ ডাবলুর মৃত্যু হয় গত বছরের ১৬ জুলাই।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে