
রাজধানীর দিয়াবাড়ি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হওয়া আরও এক শিক্ষার্থীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তার নাম রোহান (১৪)।
আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, গত ২১ জুলাই বিমান বিধ্বস্তে দগ্ধ অবস্থায় রোহান হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। তার শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর এখন সে সেরে উঠেছে। এজন্য আজকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
সার্জন শাওন বিন রহমান আরও জানান, মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরল। এখনো ১০ শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন।
প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই দুপুরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় মোট ৩৬ জন নিহত হন। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ২০ জন।
ঘটনার পর মোট ৫৭ জনকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। এর মধ্যে একজনকে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। বাকি রোগীদের ধাপে ধাপে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে