
কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি পিস্তল, ৪টি গ্রেনেড, ৩টি মর্টার শেলসহ ১০টি রাইফেলের গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি। গতকাল রোববার রাতে উপজেলার হোয়াইক্যংয়ের বিলাসীর দ্বীপ এলাকার জঙ্গলে পড়ে থাকা একটি ব্যাগ থেকে এসব অস্ত্র, গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র চোরাচালান হওয়ার খবর পেয়ে গতকাল রাতে বিজিবির একটি টহল দল বিলাসীর দ্বীপ এলাকার জঙ্গলের মধ্যে চিরুনি অভিযান চালায়। অভিযানে সাদা একটি ব্যাগে মোড়ানো অস্ত্র, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও বিস্ফোরকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বিজিবির অধিনায়ক বলেন, উদ্ধার করা অস্ত্র-গুলি টেকনাফ মডেল থানায় আলামত হিসেবে জমা রাখা হয়েছে। মর্টার শেল ও হ্যান্ড গ্রেনেড ধ্বংসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে