চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। আজ বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বানিয়াছড়া বাজারের অদূরে উত্তরে ভিলেজারপাড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন রাজধানী ঢাকার উত্তরখান আটিপাড়ার শহীদ ভূঁইয়ার ছেলে শরীফুল ইসলাম (৩০) ও অলিউল ইসলামের ছেলে রাইসুল ইসলাম শিশির (৩০)। আহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা লাল-সবুজ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস কক্সবাজার যাচ্ছিল। ঢাকা থেকে তিনজন পর্যটক মোটরসাইকেলযোগে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। বাস ও মোটরসাইকেল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার বরইতলীর বানিয়াছড়ার অদূরে উত্তর ভিলেজারপাড়ায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলের পেছনে বাস ধাক্কায় দেয়। এ সময় একটি ট্রাককেও ধাক্কা দেয় বাস। এতে মোটরসাইকেল আরোহী দুজন পর্যটক ঘটনাস্থলে নিহত হন। গুরুতর আহত হন আরও একজন পর্যটক।
এ ব্যাপারে চিরিংগা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল আমিন বলেন, ‘নিহত দুজনের মরদেহ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। বাস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক রয়েছেন। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান অভিযানে নেতৃত্ব দেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুত রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার...
৪০ মিনিট আগে
বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি বছরের পর বছর পানির অভাবে অনাবাদি ছিল। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া ৯টি খাল পলি জমে ভরাট হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি এসব খাল পুনঃখনন করায় আশার আলো দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
৫ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে পর্যটন শহরে প্রবেশের জন্য রয়েছে চার লেনের দুটি সড়ক। এর মধ্যে পাহাড়ের বুক চিরে চলে গেছে দৃষ্টিনন্দন কলাতলী বাইপাস সড়ক। দেড়-দুই দশক আগেও এই সড়ক ধরে ডলফিন মোড়ে নামতেই শোনা যেত উত্তাল সাগরের গর্জন, আর চোখ জুড়িয়ে যেত নীল জলরাশির আছড়ে পড়া ঢেউ দেখে।
৫ ঘণ্টা আগে
নওগাঁর মহাদেবপুরে উপজেলার আত্রাই নদের ওপর কালনা-বিষ্ণুপুর সেতু নির্মাণকাজ প্রায় আট বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগে কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। অথচ এখন পর্যন্ত সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৬৫ শতাংশ। বাকি ৩৫ শতাংশ কবে নাগাদ শেষ হবে, তা জানেন না কেউ।
৬ ঘণ্টা আগে