নোয়াখালীর সেনবাগে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরে হামলায় খুরশিদ আলম (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিজবাগ ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি গ্রামের কবির মাস্টারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে।
নিহতের ছেলে মহসিন আলম পলাশ বলেন, পাশের বাড়ির লোকজন তিন দিন আগে টয়লেট থেকে পায়খানা তুলে পাশের গর্তে ফেলে রাখে। তাতে দুর্গন্ধ ছড়ালে তাঁর বাবা এর প্রতিবাদ করেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে এ নিয়ে দুই পক্ষে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর বাবা খুরশিদ আলমকে বেদম মারধর করে। তাতে খুরশিদ আলমের মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় শহীদ উল্যা (৬০), তাঁর ছেলে শিপন (৩২) ও পুত্রবধূ রজ্জবের নেছাকে (২৬) আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মহসিন আলম পলাশ বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে সেনবাগ থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইতিমধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে