একটি কক্ষে ব্যবহার করা হয় ১টি এলইডি বাল্ব, ১টি ফ্যান ও দেড় হর্স ক্ষমতার পানির পাম্প। এই পাম্পের পানি ব্যবহার করেন বাড়ির আশপাশেরসহ মাত্র ১৪ জন লোক। আর এতেই পল্লী বিদ্যুৎ মাস শেষে বিল দিয়েছে ৭২ হাজার ৬১৯ টাকা! বিলের কপি হাতেই পেয়েই বাড়ির মালিক হতবাক হয়ে যান।
ভুক্তভোগী গ্রাহক চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের বেলচুরা এলাকার টানেল সংযোগ সড়কের কুহিনুর প্লাজা নামে একটি নির্মাণাধীন ভবনের মালিক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
পূর্বের বিলের কপিতে দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসের বিদ্যুৎ বিল আসে ২ হাজার ১ টাকা, মার্চে ১ হাজার ২৭ টাকা, এপ্রিল মাসে ২ হাজার ৭৩৭ টাকা। আর চলতি মে মাসে এক লাফে বিল এসেছে ৭২ হাজার ৬১৯ টাকা। যা ধারাবাহিকতার চেয়েও বহুগুণ বেশি। হঠাৎ করে বাড়তি বিল নিয়ে বিপাকে পড়েন গ্রাহক মোস্তাফিজুর।
ভবনটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা নুরুল আবছার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বুধবার বিকেলে বিলের কপিটি পেয়ে আমি অবাক হয়ে পড়ি। মিটার না দেখেই বিল লিখে দিয়েছে তারা। কিছু বললে গ্রাহকের সঙ্গে তারা দুর্ব্যবহার করে। আবার বিল পরিশোধ না করলে লাইন কাটতে আসে। জরিমানা হবে বলেও ভয় দেখায়।’
আনোয়ারা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হয়তো মিটার রিডাররা বিল লেখার সময় ভুল করেছে। গ্রাহক অফিসে আসলে ঠিক করে দেওয়া হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে