চবি সংবাদদাতা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট বাজারের পূর্ব সীমা থেকে পূর্ব দিকের রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে আজ বেলা ২টা থেকে আগামীকাল সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার এ আদেশ জারি করা হয়।
আজ রোববার দুপুরে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আদেশে বলা হয়, এই সময় উল্লিখিত এলাকায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরকদ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও সব ধরনের দেশীয় অস্ত্র বহনসহ এসব এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান বা চলাফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হলো।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাশেই জোবরা গ্রাম। এই গ্রামেই একের পর এক রক্ত ঝরছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। গতকাল শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে অন্তত দেড় শ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গ্রামবাসী দেশি অস্ত্র ও ইটপাথর নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। উভয় পক্ষ এখনো মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চবির উপ-উপাচার্য মো. কামাল উদ্দিন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি হাতজোড় করে শিক্ষার্থীদের এবং গ্রামবাসীর প্রতি এ সংঘর্ষ থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে রোববার বেলা আড়াইটা পর্যন্ত সংঘর্ষ থামানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল ইসলাস সানতুকে ফোন করা হলে তিনি জরুরি মিটিং আছেন বলে কেটে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার একটি বাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ভাড়া থাকেন। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসায় ফিরলে দারোয়ান গেট খুলতে অমত করেন। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার-চেঁচামেচির পর একপর্যায়ে গেট খোলা হয় এবং চেঁচামেচি করার কারণে ছাত্রীকে থাপ্পড় দেন দারোয়ান। পরে ওই ছাত্রী তাঁর কয়েকজন সহপাঠীকে ফোন দিলে তাঁরা গিয়ে দারোয়ানের ওপর চড়াও হন। তাঁরা দারোয়ানকে আটকানোর চেষ্টা করলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এর মধ্যে খবরটি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে আরও শিক্ষার্থী সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে ধাওয়া করলে স্থানীয়রা একত্র হয়ে ইট-পাটকেল মারা শুরু করেন। তখন সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের বাসার গেট রাত সাড়ে ১১টার মধ্যে বন্ধ হয়। আজকে (শনিবার রাতে) কাজে বাইরে গিয়েছিলাম, রাত ১১টার দিকে ফিরে এসে দেখি গেট বন্ধ। আমি অনেকবার ধাক্কা দিয়েছি, রুমমেটরা অনুরোধ করেছে, কিন্তু দারোয়ান গেট খোলেনি। পরে গেট খুলে আমাকে লাথি-থাপ্পড় মারে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র হাতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের দুটি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি এবং প্রক্টরিয়াল বডির একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট বাজারের পূর্ব সীমা থেকে পূর্ব দিকের রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে আজ বেলা ২টা থেকে আগামীকাল সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার এ আদেশ জারি করা হয়।
আজ রোববার দুপুরে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আদেশে বলা হয়, এই সময় উল্লিখিত এলাকায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরকদ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও সব ধরনের দেশীয় অস্ত্র বহনসহ এসব এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান বা চলাফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হলো।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাশেই জোবরা গ্রাম। এই গ্রামেই একের পর এক রক্ত ঝরছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। গতকাল শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে অন্তত দেড় শ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গ্রামবাসী দেশি অস্ত্র ও ইটপাথর নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। উভয় পক্ষ এখনো মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চবির উপ-উপাচার্য মো. কামাল উদ্দিন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি হাতজোড় করে শিক্ষার্থীদের এবং গ্রামবাসীর প্রতি এ সংঘর্ষ থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে রোববার বেলা আড়াইটা পর্যন্ত সংঘর্ষ থামানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল ইসলাস সানতুকে ফোন করা হলে তিনি জরুরি মিটিং আছেন বলে কেটে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার একটি বাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ভাড়া থাকেন। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসায় ফিরলে দারোয়ান গেট খুলতে অমত করেন। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার-চেঁচামেচির পর একপর্যায়ে গেট খোলা হয় এবং চেঁচামেচি করার কারণে ছাত্রীকে থাপ্পড় দেন দারোয়ান। পরে ওই ছাত্রী তাঁর কয়েকজন সহপাঠীকে ফোন দিলে তাঁরা গিয়ে দারোয়ানের ওপর চড়াও হন। তাঁরা দারোয়ানকে আটকানোর চেষ্টা করলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এর মধ্যে খবরটি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে আরও শিক্ষার্থী সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে ধাওয়া করলে স্থানীয়রা একত্র হয়ে ইট-পাটকেল মারা শুরু করেন। তখন সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের বাসার গেট রাত সাড়ে ১১টার মধ্যে বন্ধ হয়। আজকে (শনিবার রাতে) কাজে বাইরে গিয়েছিলাম, রাত ১১টার দিকে ফিরে এসে দেখি গেট বন্ধ। আমি অনেকবার ধাক্কা দিয়েছি, রুমমেটরা অনুরোধ করেছে, কিন্তু দারোয়ান গেট খোলেনি। পরে গেট খুলে আমাকে লাথি-থাপ্পড় মারে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র হাতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের দুটি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি এবং প্রক্টরিয়াল বডির একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামে ধরলা নদীর বাম তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধস নেমেছে। এতে হুমকিতে পড়েছে হাজারো পরিবার এবং কয়েক হাজার হেক্টর কৃষিজমি।
১৩ মিনিট আগেঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে বরিশাল জিলা স্কুলের ৭০টি গাছ কাটার আয়োজন করছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৬৫টি গাছ কাটার জন্য ৩ সেপ্টেম্বর নিলাম আহ্বান করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও নিলাম কমিটির সদস্যসচিব অনিতা রানী হালদার।
৪৩ মিনিট আগেদেশীয় মাছের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরগুলোতে বর্ষার ভরা মৌসুমেও মাছ নেই বললেই চলে। এতে করে সংকটে পড়েছেন স্থানীয় জেলেরা। মাছ শিকারকে যাঁরা পেশা হিসেবে নিয়েছিলেন, তাঁরা এখন বাধ্য হচ্ছেন পেশা পরিবর্তনে।
২ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, অনলাইনে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
২ ঘণ্টা আগে