
চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে কম্বলে করে আনা এক কেজি সোনা জব্দ করেছেন এনএসআই ও কাস্টমস গোয়েন্দা সদস্যরা। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে বিমানবন্দরে আসা একটি ফ্লাইটের তিন যাত্রীর কাছ থেকে এসব সোনা জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন কক্সবাজারের বাসিন্দা মোবারক আলী, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ নাজমুল হক ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আনোয়ার শাহ।
এ বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক, গ্রুপ ক্যাপ্টেন তাসলিম আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোরে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে চট্টগ্রামে আসেন ওই তিন যাত্রী। এনএসআই ও কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এক যৌথ অভিযানে তাঁদের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় একটি কম্বলের মধ্যে লুকানো ১ কেজি সোনা পাওয়া যায়।’
তাসলিম আহমেদ আরও বলেন, ‘ওই তিন যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাদের এখনো আটক দেখানো হয়নি। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে