
চট্টগ্রাম নগরীতে দায়িত্ব পালনের সময় দ্রুতগামী বাসের চাপায় নুরুল করিম (৪৭) নামে ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ষোলোশহর ২ নম্বর গেটে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরুল করিম (৪৭) নগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উত্তর জোনে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় ট্রাফিক কনস্টেবল নুরুল করিমকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। পরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নগরীতে ১০ নম্বর রুটের একটি বাস কর্তব্যরত অবস্থায় ট্রাফিক কনস্টেবল নুরুল করিমকে চাপা দেয়। দুর্ঘটনার পর বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ ঘটনায় বাসের অজ্ঞাতনামা চালককে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। ওই বাসের চালক কে ছিলেন তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আমরা রোববার সারা রাত অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে শাহজাদপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১০ মিনিট আগে
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল।
১৬ মিনিট আগে
তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তাঁর ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা।
২৬ মিনিট আগে
প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
১ ঘণ্টা আগে