
চট্টগ্রামের চান্দগাঁও সড়কে অবৈধ সিএনজিচালিত অটোরিকশা উচ্ছেদে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের দুই সদস্য। এ ঘটনায় আজ বুধবার দুপুরে চান্দগাঁও থানা-পুলিশের একটি দল দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল মঙ্গলবার এই হামলার ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট এলাকার আবদুল মাবুদের ছেলে মো. নিজাম (৩৫) ও একই থানার সিঅ্যান্ডবি এলাকার নওশেদ আলীর ছেলে মো. খোকন (২৮)।
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, সিঅ্যান্ডবি মোড়টিতে যত্রতত্র গাড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করত গাড়িগুলো। এতে প্রায়ই যানজট লেগে থাকত।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সড়কটিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ট্রাফিক পুলিশ। এ সময় সেখানে দুই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়।
পরে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৪০টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটক করে পুলিশ। অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে বলে জানান ওসি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে