
চাঁদপুরের কচুয়ায় ধর্ষণের শিকার বাক্প্রতিবন্ধী এক নারী সন্তান প্রসবের পর মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে নবজাতকটি সুস্থ আছে। এ ঘটনায় মেহেদী হাসান প্রদীপ (২০) নামের এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
জানা গেছে, গতকাল রোববার উপজেলার একটি গ্রামে অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী একটি কন্যাসন্তান প্রসব করেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। তিনি গত বছরের জুলাইয়ে ধর্ষণের শিকার হন। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অভিযুক্ত যুবক রাজি না হওয়ায় ৩ মার্চ তাঁর বিরুদ্ধে ওই নারীর ভাই থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মারা যাওয়া নারীর বড় ভাই আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত বছরের জুলাইয়ে মেহেদী হাসান আমার বোনকে ধর্ষণ করেন। এতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।’
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, মারা যাওয়া নারীর লাশের ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শিশুর পিতৃপরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে