
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে পরদিনই দলে ফিরেছেন মো. হোসেন মিয়া নামের এক যুবদল নেতা। আজ রোববার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে তিনি জানান, সিনিয়র নেতাদের অনুরোধ ও এলাকার মানুষের পরামর্শে তিনি আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে গতকাল শনিবার রাতে মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধারণ করা দুধ দিয়ে গোসলের ভিডিওটি হোসেন মিয়া ফেসবুকে পোস্ট করলে তা ভাইরাল হয়।
হোসেন মিয়া উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
ফেসবুকে গোসলের ভিডিও পোস্ট করে হোসেন মিয়া লেখেন, ‘আমার এই ভিডিওটা দেখার পর সবার কাছে আমি হাসির পাত্র হয়ে থাকবো। এমনিতেই আজ আমি সবার হাসির পাত্র। আমি ধ্বংস হয়নি (হইনি), আমাকে ধ্বংস করা হয়েছে। আর সেটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সিস্টেমের কাছে। যে সিস্টেমটার নাম হচ্ছে টাকা আর ষড়যন্ত্র।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমার কাছের মানুষগুলো আমার সাথে ষড়যন্ত্র করেছে। আমার মতো দুই-চারজন রাজনীতিতে না থাকলে কিছুই হবে না। কিন্তু একটা প্রশ্ন রেখে যাই, আমার লড়াইটা কিসের জন্য ছিল? আমার লড়াইটা ছিল বিএনপির জন্য, যুবদলের জন্য, চাঁদপুর-২ আসনের প্রার্থী ড. জালাল সাহেবের জন্য।’ হোসেন মিয়া দাবি করেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দোসররা মিলেমিশে ষড়যন্ত্র করে, টাকার জোরে, ক্ষমতার জোরে তাঁকে ধ্বংস করেছে। ফেসবুক পোস্টে রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন হোসেন মিয়া।
জানা গেছে, হোসেন মিয়ার ভিডিওটি ভাইরাল হলে স্থানীয় রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। আজ দুপুরের পর দলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁর বাসায় গিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি মিটমাট করেন।
আজকের পত্রিকাকে হোসেন মিয়া বলেন, ‘আমাদের পূর্ব হানিরপাড় এলাকায় একটি সামাজিক বিষয় নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। রাগে-ক্ষোভে অভিমান সইতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসলের ভিডিওটি পোস্ট করি। পরে সিনিয়র নেতাদের অনুরোধে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি। এখন থেকে বিএনপির রাজনীতিতে আগের মতোই সক্রিয় থাকব এবং দলের জন্য কাজ করে যাব।’
কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মহসিন ব্যাপারী বলেন, ‘হোসেন মিয়া বর্তমান কমিটিতে না থাকলেও তিনি সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। কিছুদিন আগে সামাজিক একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি অভিমানে ভিডিওটি পোস্ট করেছিলেন। এখন ভুল-বোঝাবুঝি মিটে গেছে। তিনি আবারও আমাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবেন এবং সামনে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ে ভূমিকা রাখবেন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে