
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাহালু থানার পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাই ইউনিয়নের বারমাইল-তিন দীঘিগামী পাকা রাস্তার কুর্ণিপাড়া এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিতাই চন্দ্র সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন স্বাধীন (৪২), রাকিবুল হাসান (১৮), মনিরুজ্জামান (২৪), জাকারিয়া (২০) ও মেজবাউল হাসান নাঈম (২২)।
ওসি জানান, সোমবার রাতে কুর্ণিপাড়া বাজার থেকে পূর্ব দিকে পাকা রাস্তায় দেশীয় অস্ত্রসহ ৮-১০ জনের ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্থানীয় জনগণ বুঝতে পেরে ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে আটক করে গণধোলাই দেয়। এ সময় ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছে থেকে একটি চাপাতি, একটি বার্মিজ চাকু, দুটি স্টিলের লাঠি ও দুটি ইলেকট্রিক শক দেওয়ার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়। তাঁদের নামে পুলিশ বাদী হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা দিয়ে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে