ভোলার মেঘনা নদীতে একটি বালুবাহী বাল্কহেড ডুবে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আজ রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল এলাকাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে ঢেউয়ের তোড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের ঠিকাদারের বালুবোঝাই একটি বাল্কহেড ডুবে যায়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ভোলার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) মো. হাসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পাউবো ও স্থানীয় লোকজন জানায়, ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল এলাকাসংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে ভাঙন রোধে জাম্পিং দিয়ে বালুর বস্তা ফেলার কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ওই কাজের ঠিকাদার মোসলেম উদ্দিন সরদার বালুবোঝাই বাল্কহেডে করে কাজের স্থানে নিয়ে যাচ্ছিলেন। আজ সকালে ভোলার খাল এলাকাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে ঢেউয়ের তোড়ে বালুবোঝাই বাল্কহেডটি ঠিকাদারের তিনজন লোকসহ ডুবে যান।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলার নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. জিয়াউদ্দিন আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বালুবোঝাই বাল্কহেডটি ডুবে যাওয়ার পর তিনজন সাঁতরিয়ে তীরে উঠে গেছেন। ফলে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে এগুলো উদ্ধারে কাজ চালানো হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে