
খুলনায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট নানা কারণে সারা বছরই স্থায়ী-অস্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে ফসলের খেত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এক জরিপে এই জলাবদ্ধতার পেছনে ১৫টি কারণ উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে জেলার আটটি উপজেলায় বছরে ১০ হাজার হেক্টর আবাদি জমি জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে বলে উল্লেখ করা হয়।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ১১ শতাংশ জমি সবজি চাষের শর্তে ইজারা নিয়ে চারতলা ভিতের দোতলা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। শর্ত ভঙ্গ করায় ইজারা বাতিল করে ভবনটি অপসারণের জন্য পাউবো নোটিশ দিলেও দেড় বছরেও তা উচ্ছেদ হয়নি।

ফরিদপুরের মধুখালীতে নদীভাঙন থেকে রক্ষা পেতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) তীর সংরক্ষণকাজের জন্য স্বেচ্ছায় জমি দিয়েছিলেন এলাকাবাসী। আরসিসি ব্লক দিয়ে নদীর তীর বাঁধাইয়ের জন্য ওই জমিতে খননকাজ করে পাউবো। কিন্তু নদীর জমির পাশাপাশি ব্যক্তিগত জমির খনন করা মাটিও নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সাতক্ষীরার আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায় নদ-নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব স্থানে অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন স্থাপনা ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে নদ-নদীতে। বর্তমানে বেড়িবাঁধের অন্তত ৪০টি স্থান ঝুঁকিতে রয়েছে।