
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় নদীতে মা ইলিশ ধরার অপরাধে দুই মৌসুমি জেলেকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার সুগন্ধা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার টেপাখালি গ্রামের আমির হোসেন হাওলাদারের ছেলে শামসুল হক হাওলাদার এবং বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মোবারক ব্যাপারীর ছেলে শাহ আলম ব্যাপারী।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক আহমেদ। আটক জেলেরা স্বীকার করেছেন, স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা মা ইলিশ ধরার জন্য তাঁদের ভাড়ায় বাবুগঞ্জে নিয়ে আসেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুস সালেহীন বলেন, মা ইলিশ শিকারে মৌসুমি জেলেদের সংখ্যা বেশি। বাবুগঞ্জের প্রকৃত জেলেরা এবার নদীতে নামছেন না।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে