
বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১২৪ জন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অধিদপ্তরের সূত্রমতে, আজ সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় তিনজন মারা গেছেন। তাঁরা হলেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সুটিয়াকাঠি গ্রামের ইশরাত জাহান (২০), বরগুনার বালিয়াতলী ইউনিয়নের চারপাড়ার চাঁন মিয়া (৭৫) ও বরগুনা সদরের থানাপাড়ার গোসাই দাস (৮৫)। তাঁদের মধ্যে ইশরাত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকি দুজন বরগুনা সদর হাসপাতালে মারা যান।
এই নিয়ে বিভাগে এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।
এ ছাড়া বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১২৪ জন। আগের দিন আক্রান্ত হন ৮৯ জন। অর্থাৎ দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি বরগুনায়। ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃঞ্চ মণ্ডল বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে। তবে হাসপাতালের ধারণক্ষমতার বিষয়ও রয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু রোধে মশা নিয়ন্ত্রণেই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য প্রত্যেকের বাসাবাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে