
বরগুনার তালতলীতে পায়রা নদীর মাঝে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পণ্যবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় দুই শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে বরগুনা থেকে তালতলী যাওয়ার পথে পায়রা নদীর চাড়াভাঙা-ছোটবগী বাজার নামক স্থানের নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ শ্রমিকেরা হলেন বরগুনা সদর উপজেলার লাকুরতলা গ্রামের কমল সমাদ্দার (৪০) ও লবণগোলা গ্রামের আবদুল খালেক (৫০)।
ট্রলারে থাকা শ্রমিকেরা জানান, গতকাল বরগুনা ঘাট থেকে এফবি মায়ের দোয়া নামক একটি পণ্যবাহী ট্রলার তালতলীর উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় ট্রলারে চাল, ডাল, তেল, মরিচ, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কোটি টাকার পণ্য ছিল। ট্রলারটি চাড়াভাঙা-ছোটবগী নামক স্থানে গেলে হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এ সময় নদীতে ঢেউ থাকায় ট্রলারের মধ্যে পানি ঢুকে ট্রলারটি তলিয়ে যায়। ঘটনার সময় প্রাণ বাঁচাতে ট্রলারে থাকা মাঝি ও শ্রমিকসহ সাতজন নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন সাঁতরে নদীর তীরে উঠতে পারলেও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন।
নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তীরে ফেরা আবদুর রব মৃধা বলেন, ‘আমরা রাতে পণ্যবাহী ট্রলার নিয়ে বরগুনা থেকে তালতলীর উদ্দেশে রওনা দিই। পরে রাত ১১টার দিকে চাড়াভাঙ্গা থেকে বগী বাজারের দিকে গেলে হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় নদীতে ঢেউ থাকায় ট্রলারে পানি উঠে যায়। সেই পানি অপসারণের জন্য নিখোঁজ দুজন ব্রিজের মধ্যে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়বার আবার ঢেউ এলে ট্রলারটি আস্তে আস্তে পানির নিচে তলিয়ে যায়। ঘটনার সময় আমরা পাঁচজন সাঁতরে বেঁচে ফিরলেও ব্রিজের ভেতরে থাকা দুজন উঠতে পারেননি।
আবদুর রব মৃধা আরও বলেন, ট্রলারে থাকা মালামাল জোয়ারের তোড়ে ভেসে গেছে। তবে কত লাখ টাকার মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
তালতলীর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে এসেছি। রাতেই একটি ট্রলার নিয়ে নদী থেকে যতটুকু সম্ভব পণ্য উদ্ধার করেছি। তবে এখনো নিখোঁজ দুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে