
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে তমব্রু রাইট ক্যাম্প এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে গুলির আওয়াজে উপজেলার তমব্রুবাজার এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় বাজারের অনেক দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। পাশের হিন্দুপাড়া, বাজারপাড়া, কোনারপাড়া, তমব্রু পশ্চিমপাড়াসহ কয়েকটি এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
কোনারপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল আলিম, মোহাম্মদ হোসেন ও সৈয়দ নুর জানান, হঠাৎ গোলাগুলির বিকট শব্দে বাড়ির লোকজনের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আবদুল আলিম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, তমব্রুবাজারের কয়েক শ গজ দক্ষিণে মিয়ানমার অংশের সীমান্ত চৌকি তমব্রু রাইট ক্যাম্পে দখলে থাকা বিদ্রোহী আরাকান আর্মি রয়েছে। চৌকিতে অপর বিদ্রোহী গ্রুপ আরসা এ হামলা চালিয়েছে। এতে উভয় পক্ষ একে ৪৭ ও অন্যান্য ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে।
তমব্রু রাইট ক্যাম্প দখলে মরিয়া আরসা হামলা শুরু করলে আরাকান আর্মি পাল্টা গুলি চালায়। যা বাংলাদেশ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অভ্যন্তরে। এলাকাবাসীর প্রাথমিক ধারণা, অন্তত অর্ধশতাধিক গুলির শব্দ তাঁরা শুনেছেন।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, গোলাগুলি শুরু হলে পাশে থাকা বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী ৩৪ বিজিবির অধীন তমব্রু বিওপি ক্যাম্পের জোয়ানদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে সীমান্ত এলাকাটি দখলে নেয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। বর্তমানে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা এসব চৌকি দখলে নিতে মরিয়ে হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য নুর মোহাম্মদ ভুট্টো বলেন, দীর্ঘদিন পর ১১ আগস্ট সীমান্তে দেড় ঘণ্টা সময় ধরে প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ পাই। আজও একই ঘটনা ঘটেছে। তবে হতাহতের কোনো সংবাদ তিনি পাননি।
৩৪ বিজিবির অধিনায়ক এস এম খায়রুল আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনা ঘটলেও এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিজিবি নিয়মিত টহল চলমান রয়েছে। সর্বোচ্চ সতর্ক আছে বিজিবি জোয়ানরা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে