
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় কোরবানির পশু প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এবার উপজেলার ১ হাজার ৯২টি খামারে মোট ৯ হাজার ২০টি গরু ও ছাগল মোটাতাজা করা হয়েছে। চাহিদা রয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৯১৬টি পশুর। ফলে চাহিদার চেয়ে কিছুটা বেশি পশু উৎপাদিত হয়েছে।
তবে বাস্তব চিত্র আরও বিস্তৃত। খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেক খামার এখনো প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আওতায় নিবন্ধিত নয়। পাশাপাশি বহু গৃহস্থ পরিবার নিজ উদ্যোগে পশু মোটাতাজা করেছেন। সব মিলিয়ে উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলার প্রধান গরুর হাট বেতাগায় প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা থেকে গড়ে প্রায় ১০ হাজার গরু আসে। এছাড়া ফকিরহাট অস্থায়ী পশুহাটেও আশপাশের উপজেলা থেকে কোরবানির পশু আসে। তবে বাইরের পশুর চেয়ে স্থানীয়ভাবে লালন-পালিত পশুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি। স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে লালিত গরু পছন্দ করছেন ক্রেতারা।
এদিকে লাখপুরের কোরবানির গরুর হাটটি এ বছর বন্ধ থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে কোরবানির আগে পশু প্রস্তুতির পাশাপাশি চুরি এখন বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি খামার থেকে গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে খামারিরা নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ রাতের টহল বাড়িয়েছে এবং চুরি প্রতিরোধে মানুষদের সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে গো-খাদ্য, ওষুধ ও শ্রমিকের মজুরি বাড়ায় পশুর দামও কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শেখ জাহিদুর রহমান জানান, ‘খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।’ তিনি কোরবানির পশুর চামড়া ছাড়ানোর সময় বিশেষ যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে লিফলেটও বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন বলেন, ‘এ বছর উপজেলায় দুইটি কোরবানির পশুর হাট বসবে। হাট ও খামারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাটগুলোতে মেডিকেল টিম ও জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ ব্যবস্থাও থাকবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে