চেক লেখক ও ‘দ্য আনবিয়ারেবল লাইটনেস অব বিয়িং’ উপন্যাসের রচয়িতা মিলান কুন্ডেরা মৃত্যুবরণ করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার ৯৪ বছর বয়সে মারা যান তিনি। ব্রনোর মোরাভিয়ান লাইব্রেরির সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
‘দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গতকাল (মঙ্গলবার) প্যারিসে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।’ বলেন মোরাভিয়ান লাইব্রেরির মুখপাত্র আনা মোরাজোভা।
কুন্ডেরা চেক শহর ব্রুনোতে জন্ম নেন ১৯২৯ সালে। বাবা ছিলেন পিয়ানোবাদক। তাঁর পড়াশোনা, বেড়ে ওঠা ব্রুনোতে। পরে প্রাগের শার্ল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। চেকোস্লাভাকিয়ায় ১৯৬৮ সালে সোভিয়েত আগ্রাসনের প্রতিবাদ করায় দেশে সমালোচনার মুখে পড়েন। ১৯৭৫ সালে পাড়ি জমান ফ্রান্সে। গত প্রায় পাঁচ দশক ছিলেন সেখানেই।
জীবনে খুব কমই সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মিলান কুন্ডেরা। তিনি বিশ্বাস করতেন তাঁর কাজের মাধ্যমেই লেখক কথা বলবেন। তাঁর প্রথম বই, ‘দ্য জোক’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। যেখানে কমিউনিস্ট শাসনের চিত্র ফুটে ওঠে। কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য থেকে ভিন্ন পথে হাঁটায় প্রথম পদক্ষেপ বলা যায় একে। বইটি চেকোশ্লাভাকিয়ায় নিষিদ্ধ হয়।
২০১৯ সালে কুন্ডেরার চেক নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এ বছরের এপ্রিলে জন্মস্থান ব্রনোতে মোরাভিয়ান লাইব্রেরিতে প্রতিষ্ঠিত হয় মিলান কুন্ডেরা লাইব্রেরি।
তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলোর মধ্যে আরও আছে দ্য বুক অব লাফটার অ্যান্ড ফরগেটিং, লাফেবল লাভস, আইডেন্টি, ইগনরেন্স প্রভৃতি।

ছায়ানটের নিজস্ব মিলনায়তনে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সম্মেলক গান ‘আমাদের চেতনার সৈকতে’ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। একে একে পরিবেশিত হয় গান ও কবিতা। এর আগে একুশের চেতনা নিয়ে বক্তব্য দেন ছায়ানট সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী।
৯ দিন আগে
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্বরচিত কবিতাপাঠের আসর ও অমর একুশে বক্তৃতার আয়োজন করেছে বাংলা একাডেমি। একাডেমির নজরুল মঞ্চে স্বরচিত কবিতাপাঠের এই আসর ও অমর একুশে বক্তৃতার আয়োজন করা হয়।
৯ দিন আগে
আলসেমি শরীরে এদিক-ওদিক চেয়ে আটকে গেল চোখ পশ্চিমান্তে। রক্তিম সূর্যের বিদায় ধীর গতিতে। খুব লাল হয়েছে, সারা দিনের জ্বলন্ত প্রহরে পেয়েছে এক অপূর্ব রূপ।
২৩ নভেম্বর ২০২৫
হুমায়ূন আহমেদ তখন ক্যানসার আক্রান্ত। যুক্তরাষ্ট্রে কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। হঠাৎ চিকিৎসকের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে চলে এলেন নুহাশপল্লীতে। নাটক বানাবেন। অভিনেতা ফারুক আহমেদকে ডাকলেন। নুহাশপল্লীতে নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে গল্প করছিলেন হুমায়ূন ও ফারুক। হুমায়ূন আহমেদ বললেন, ‘কী আশ্চর্য, তাই না ফারুক!’
১৩ নভেম্বর ২০২৫