কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত টানেল পার হতেই চোখে পড়বে চায়না ইকোনমিক জোন। রাস্তার মাথায় একটা টং দোকান। বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানে থাকে মানুষের ভিড়। ভিড়ের কারণ একটাই—‘মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি চটপটির দোকান। দোকানের মালিক ৫০ বছর বয়সী মো. আইয়ুব। খড়ের ছাউনি দেওয়া সাদামাটা দোকান, কিন্তু তাঁর হাতে তৈরি চটপটির স্বাদ আকৃষ্ট করে সবাইকে।
বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসে তাঁর তৈরি চটপটি খেতে। চটপটিটা কত মজার, তা বোঝা যায় একটি তথ্য থেকে। যাঁরা এই এলাকা ছেড়ে দেশের অন্য কোথাও কিংবা বিদেশে চলে গেছেন, তাঁরাও এখানে এলে চটপটি খেয়ে যান। ১ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে তিনি শুরু করেছিলেন এই ব্যবসা।
ছবি ও তথ্য: মো. ইমরান হোসাইন, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম)

স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট...
২ দিন আগে
সাঈদ হায়দার স্মৃতিচারণা করেছেন এভাবে: ‘দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সংঘর্ষের তীব্রতা কমল না। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতাকে পুলিশ লাঠি চালিয়ে শান্ত করতে পারল না। তারা গুলি চালালো, গুলি চালালো মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের সামনের রাস্তায়। জব্বার আর রফিক প্রাণ হারালো।
৪ দিন আগে
মোহাম্মদ সুলতান ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী এবং একুশের প্রথম সংকলনের প্রকাশক। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যেকোনো মূল্যে ১৪৪ ধারা ভাঙতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা রাত ১টায় ফজলুল হক হল ও ঢাকা হলের মধ্যবর্তী সিঁড়িতে এক বৈঠকে মিলিত হই।
৯ দিন আগে
২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
১০ দিন আগে