উত্তরবঙ্গের ঘরোয়া রান্নার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে খাবারটি জড়িয়ে আছে, তা হলো সিদল। শুঁটকি মাছ আর কচুশাকের মিশ্রণে তৈরি এই খাবার বহুদিন ধরেই জনপ্রিয়। একসময় শুধু গ্রামাঞ্চলে পরিচিত থাকলেও এখন সারা দেশেই এর স্বাদ ও সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে। সিদল বানানো হয় কচুশাক, শুঁটকি মাছ আর কিছু দেশি মসলা দিয়ে।
সবকিছু মেখে রোদে শুকিয়ে রাখা হয় কয়েক দিন। এতে শুধু স্বাদই বাড়ে না, দীর্ঘদিন সংরক্ষণও করা যায়। অনেকে আবার কাঁচা সিদল দিয়ে তরকারি রান্না করেন, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো সিদল ভর্তা। ঠিকভাবে ভর্তা বানাতে পারলে এর স্বাদ মাছ-মাংসের যেকোনো পদকেও ছাড়িয়ে যায়—এমনটাই বিশ্বাস স্থানীয়দের। শীতকাল এলেই সিদল তৈরির ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এ সময় দেশি মাছ প্রচুর পাওয়া যায় আর সেই শুঁটকি দিয়ে বানানো সিদলের স্বাদই আলাদা।
তথ্য: আব্দুর রহিম পায়েল, গঙ্গাচড়া (রংপুর)। ছবি: সংগৃহীত

স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট...
২ দিন আগে
সাঈদ হায়দার স্মৃতিচারণা করেছেন এভাবে: ‘দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সংঘর্ষের তীব্রতা কমল না। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতাকে পুলিশ লাঠি চালিয়ে শান্ত করতে পারল না। তারা গুলি চালালো, গুলি চালালো মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের সামনের রাস্তায়। জব্বার আর রফিক প্রাণ হারালো।
৪ দিন আগে
মোহাম্মদ সুলতান ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী এবং একুশের প্রথম সংকলনের প্রকাশক। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যেকোনো মূল্যে ১৪৪ ধারা ভাঙতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা রাত ১টায় ফজলুল হক হল ও ঢাকা হলের মধ্যবর্তী সিঁড়িতে এক বৈঠকে মিলিত হই।
৯ দিন আগে
২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
১০ দিন আগে