
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে জন্ম নেওয়া দুই যমজ ভাইয়ের শরীরে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। চিকিৎসকেরা বলছেন, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট শরীরে জন্ম নিয়েছে শিশু দুটি। এখন তাদের নিউনেটাল নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) রাখা হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হাম উপসর্গ নিয়ে ৫১ শিশুর মৃত্যুর পর এই সংক্রামক রোগের চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম আট সদস্যের এই বোর্ড গঠনের আদেশ দেন।

‘হঠাৎ করেই আমার মেয়ে ছটফট শুরু করল। নার্স এসে তড়িঘড়ি করে অক্সিজেন দিল। একটা ইনজেকশন দিল। বড় একটা স্যালাইনও লাগাল। তারপরই নাক-মুখ দিয়ে রক্ত এল। মেয়ে আমার দুনিয়া থেকে চলে গেল। আমরা আর কিছুই করতে পারলাম না।’ এসব কথা বলে মোবাইল ফোনেই কাঁদতে লাগলেন চামেলী খাতুন। আর কথা বলতে পারলেন না।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর থেকে আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।