
বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। ঈদের সময় ১৫৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত এবং ১৮০ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে বাসমালিকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং সড়ক-রেলপথে অব্যবস্থাপনার কারণে মৃত্যুর মিছিল চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

স্থানভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪০ দশমিক ৯০ শতাংশ দুর্ঘটনা জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক ০৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ২২ দশমিক ০৭ শতাংশ ফিডার রোডে ঘটেছে। এ ছাড়া মোট দুর্ঘটনার ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০ দশমিক ৪৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে এবং ০ ৯৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে ঘটেছে।

ক্ষমতার পালাবদল হলেও সড়ক খাতে নীতিগত পরিবর্তন না হওয়ায় দুর্ঘটনা ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমছে না। যানজট ও চাঁদাবাজির কারণে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের ভাড়া বেড়েই চলেছে। সড়ক পরিবহন খাত সংস্কার না করায় সাধারণ মানুষ আজও নিরাপদ যাতায়াত থেকে বঞ্চিত।