
ঈদের আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৮ ঘণ্টায় এবং উত্তর সিটি করপোরেশন ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে বাস্তবতা হলো, কোরবানির পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। এই কর্মযজ্ঞ নজরদারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও।

প্রশাসক জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭৫২টি যানবাহনে বর্জ্য অপসারণের কাজে সচল ছিল। হয়তো কয়েকটি স্থানে নগণ্য গাড়ি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়ে। তবে বিকল্প যানবাহনে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করার পরও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে কোরবানির পশুর বেশ কিছু অবৈধ হাট। এসব হাট বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা বসিয়েছেন বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। তবে অবৈধ হলেও এসব হাটে তেমন অভিযান চালাচ্ছে না সিটি করপোরেশন।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিবছর রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রায় ১২ লাখ গবাদিপশু জবাই করা হয়। এসব পশু বর্জ্যের মধ্যে ২১ লাখ টন আসে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকা থেকে। এবারও একই পরিমাণ বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ডিএনসিসি। এ জন্য প্রায় ১৬ হাজার কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।