
রাতে রাজধানীর একটি ফাঁকা মোড়। ট্রাফিক সংকেতে লাল বাতি জ্বলছে। ট্রাফিক পুলিশ নেই দেখে ওই সংকেত অমান্য করে গাড়ি নিয়ে মোড় পার হলেই মামলা থেকে আর নিস্তার নেই। সকাল হওয়ার আগেই গাড়ির মালিকের মোবাইলে চলে যাবে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের মামলা। এ ছাড়া ফুটপাতে মোটরসাইকেল চালানো, যেখানে-সেখানে পার্কিং...

ট্রাফিক আইনসহ কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে সারা দেশের প্রধান সড়কসহ অলিগলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা, ইজিবাইক। তিন চাকার এসব যানের চালকেরা কোনো নিয়ম না মানায় সড়ক হয়ে উঠেছে বিশৃঙ্খল। তীব্রতা বেড়েছে যানজটের, সেই সঙ্গে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা।

গত অক্টোবর মাসে সারা দেশে ৪৮৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪১ জন নিহত এবং ১১২৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭ জন এবং শিশু ৬৩ জন। সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে দৈনিক প্রাণহানির গড় বেড়েছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

সংগঠনটি বলছে, আগামী ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটে সড়ক ও পরিবহন খাতে মোট বরাদ্দের ১৫ শতাংশ সড়ক নিরাপত্তায় অবকাঠামো নির্মাণ, গবেষণা, পথচারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধিকরণ, সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে জন্য বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছেন