
ঘূর্ণিঝড় বায়রন গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন দুর্ভোগের হুমকি দিচ্ছে। এই প্রচণ্ড শীতকালীন ঝড় অবরুদ্ধ অঞ্চলটিতে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটাচ্ছে, যার ফলে প্লাবিত তাঁবু থেকে পরিবারগুলো সাহায্যের জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছে এবং শত শত মানুষ শুকনো আশ্রয়ের সন্ধানে তাদের আশ্রয়স্থল ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে টানা বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ৯ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন কয়েক শ জন। মালাক্কা প্রণালীতে গঠিত বিরল ক্রান্তীয় ঝড় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডজুড়ে বৃষ্টি ঝরিয়েছে। আলাদা আরেকটি ঝড় আঘাত হেনেছে শ্রীলঙ্কায়, যার প্রভাবে ভারী বৃষ্টি এবার

ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকর্মীরা একটানা লড়াই করে চলেছেন। টানা এক সপ্তাহের ঘূর্ণিঝড়জনিত প্রবল বর্ষণে ডুবে যাওয়া বহু অঞ্চল এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জনে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে, সংখ্যা আরও বাড়বে।

ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহর প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল বর্ষণ ও বন্যায় শ্রীলঙ্কায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আরও ১৭৬ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জরুরি সহায়তা চেয়েছে শ্রীলঙ্কা সরকার।