গণভোট হলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংবিধান বা বিশেষ আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি গণতন্ত্রের একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা নাগরিকদের ভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা না হলে ১৯৯৬ সালের মতো রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করা হলে মানুষ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।

কোনো অভ্যুত্থানের ফল জনগণ পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম। তিনি বলেছেন, প্রতিটি অভ্যুত্থানে জনগণের একটা আকাঙ্ক্ষা থাকে। কিন্তু লড়াই করলে ব্যর্থতা আসে। লড়াইয়ের ফল কখনো আসলে জনগণ পায় না...

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, বর্তমান কর প্রশাসনিক সক্ষমতা দিয়ে বড় বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ময়মনসিংহে এক সেমিনারে তিনি বাজেটে কাঠামোগত সংস্কার, কর্মসংস্থান ও মূল্যস্ফীতির বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনার অভাবের সমালোচনা করেন।

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠির বিষয়ে জারি করা রুল শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ সোমবার বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি