
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে চলমান আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। নতুন কর্মসূচিতে রাজধানী ঢাকা ছাড়া দেশের সাতটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে তারা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির একটি বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আগামী ১৬ মে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দল। এরপর ১৩ জুন চট্টগ্রামে, ২০ জুন খুলনায়, ২৭ জুন ময়মনসিংহ, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল ও ২৫ জুলাই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বৈঠক থেকে এসব কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলাভিত্তিক ১১ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সফর করবেন। এ সময় আমাদের জেলাপর্যায়ে লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হবে। আমরা ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা হবে। সবশেষে অক্টোবরে আমরা ঢাকায় একটা বড় সমাবেশ করব।’
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিভাগীয় সমাবেশের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভার পরিকল্পনাও নিয়েছে ১১ দল। বিশেষ করে শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে জনমত গঠন করা হবে। এ ছাড়া দেশের সাতটি বিভাগে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার চলমান থাকবে বলেও হয়।
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, সংবিধান সংস্কারের পক্ষে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিলেও সরকার জনগণের সেই রায়কে উপেক্ষা করছে। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিলেও সরকার এখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠের জোরে ছলচাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহার কারণে মে মাসে কেবল একটি সমাবেশ রাখা হয়েছে। ঈদের ছুটির পর জুন মাস থেকে পুনরায় পুরোদমে আন্দোলন ও সমাবেশ শুরু হবে। বিভাগীয় এই সমাবেশগুলোতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব জেলা, মহানগরের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে।
সরকার প্রশাসনে অনেক বেশি দলীয়করণ করছে অভিযোগ করে আযাদ বলেন, ‘নিয়োগ-বাণিজ্য, স্থানীয় নির্বাচন না দিয়ে নিজেদের লোকজনকে পদে বসাচ্ছে। আমরা দেশবাসীকে সচেতন করছি। জনগণের সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে জনগণকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করব।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালউদ্দীন আহমেদ, বিডিপির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
৭ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে