
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে নিজের দলীয় আসনে এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান একটি মূল্যবান কথা বলেছেন। দলীয় পরিচয়ের কারণে কেউ যেন জুলুমের শিকার না হয়—এই ছিল তাঁর মন্তব্য।

বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশক পর আবারও একটি সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে শক্তিশালী ও সংহত বিরোধী দল পেতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ৩০০ আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট প্রায় ৭৭টি আসন লাভ করেছে।

মাহদী আমিন বলেন, ‘যে সরকারটি হবে, সেই সরকার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক পথযাত্রার পর অনেক গুম, খুন, হামলা-মামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ওপর অনেক শহীদের সংগ্রামের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। সুতরাং, আমাদের নেতা ইনশা আল্লাহ শহীদদের মায়েদের যে প্রত্যাশা, সেটি পূরণ করবেন।’

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিশ্ব গণমাধ্যমের কৌতূহল এবার চোখে পড়ার মতো। কারণ এই নির্বাচনটি শুধু একটি ক্ষমতার সাধারণ পালাবদল নয়, বরং এটি ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।