
তুলনামূলক কম সময়ের মধ্যেই ক্রিকেট বিশ্বে নিজেদের অবস্থার জানান দিয়েছে আফগানিস্তান। ৩ সংস্করণে খেললেও টি-টোয়েন্টিতে একটু বেশিই কার্যকর দলটি। ধারাবাহিক এবং সাহসী ক্রিকেটের কারণে ভক্তদের মনে আলাদাভাবে জায়গা করে নিয়েছে রশিদ খান, মোহাম্মদ নবিরা। তবে ১২ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাজে সময়ের মুখোমুখি হতে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগের আসরের সেমিফাইনালিস্ট ছিল আফগানিস্তান। এবারও ফেভারিট হিসেবেই ধরে নেওয়া হয়েছিল রশিদ খানের দলকে। কিন্তু টানা দুই হারে সুপার এইটের সমীকরণ কঠিন করে ফেলেছে তারা। অবশেষে তৃতীয় ম্যাচে এসে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের দেখা পেল আফগানরা।

লেগস্পিন ঘূর্ণিতে ব্যাটারদের বোকা বানাতে ওস্তাদ রশিদ খান। পেস বোলারদের মতো গতির পাশাপাশি কুইক টার্ন, গুগলিতে ব্যাটাররা বুঝে উঠতে পারেন না যে তাঁকে (রশিদ খান) কীভাবে খেলবেন। আফগানিস্তানের তারকা লেগস্পিনার আজ স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আফগানিস্তান এখন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী ও সমীহ জাগানিয়া নাম। ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বিশ্বের যেকোনো বড় দলকে ধরাশায়ী করার সামর্থ্য তারা বারবার দেখিয়েছে। তবে খেলা যখন টাই হয়ে সুপার ওভারে গড়ায়, তখনই খেই হারিয়ে ফেলেন মোহাম্মদ নবি-রশিদ খানরা। আহমেদাবাদে আজ