
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান তাদের সবগুলো ম্যাচ খেলছে শ্রীলঙ্কাতে। গত নভেম্বরে প্রকাশিত সূচিতে বলা হয়েছিল, গ্রুপ পর্ব এবং সুপার এইটের মতো সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল ওঠলেও লঙ্কাতেই খেলবে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের প্রভাব এখন ক্রিকেটেও স্পষ্ট। ২০১৩ সালের পর থেকে দ্বিপাক্ষীক সিরিজ খেলে না দুই প্রতিবেশী দেশ। এমনকি আইসিসি কিংবা এসিসির টুর্নামেন্টেও একে অন্যের দেশে খেলতে যায় না তারা। তারই প্রভাবে দুটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আয়োজক স্বত্ব হারানোর শঙ্কায় পড়ে গেছে ভারত।

আইসিসির কাছ থেকে সহযোগী দেশগুলোর পর্যাপ্ত সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সবশেষ এই ইস্যুতে আওয়াজ তুললেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার শায়ন জাহাঙ্গীর। তাঁর দাবি, ভালো খেললেও আইসিসির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না সহযোগী দেশগুলো।

ক্রিকেটে ভারতের আধিপত্যবাদ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। কখনো কখনো বলা হয়ে থাকে আইসিসির নাটাইটা তাদেরই হাতে। সেই আইসিসির বিরুদ্ধে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে নিজেদের অবস্থানে অটল থেকেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই অনড় সিদ্ধান্তকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবু