টোকিও অলিম্পিকে ইতিহাস গড়া হলো না ১২ বছর বয়সী বিস্ময়কর কিশোরী হেন্ড জাজার। সিরিয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা প্রথম রাউন্ডেই বাদ পড়েছেন। অলিম্পিকে অভিষেকেই এমন হারের পরও তিনি মনে করেন, তার এই চেষ্টা অন্য শিশুদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে তাদের স্বপ্নকে তাড়া করতে।
আজ প্রথম দিনে টেবিল টেনিসের প্রথম রাউন্ডে জাজার প্রতিপক্ষ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান লিউ জিয়া। অস্ট্রেলিয়ান এই টেনিস তারকার বিপক্ষে জাজার হার ৪-০ সেটে। ম্যাচ হারের পর জাজা বলেছেন, ‘অভিজ্ঞ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলাটা খুব কঠিন ছিল। বিশেষ করে অলিম্পিকে এটা আমার প্রথম ম্যাচ ছিল। মানসিকভাবে তাই প্রস্তুত থাকাও আমার জন্য কঠিন ছিল।’ কাজটা কঠিন হলেও জাজা অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি তার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন।
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ায় জাজা বেড়ে উঠেছেন গৃহযুদ্ধের মতো প্রতিকূল পরিবেশে। দেশটিতে সব সময় যুদ্ধের দামামা বাজলেও ১২ বছরের এই কিশোরী চালিয়ে গেছেন টেবিল টেনিস খেলা। চার ভাইয়ের একমাত্র ছোট বোন জাজা নিজের লক্ষ্যে প্রতি অবিচল ছিলেন।
অনেক কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ে শত বাধা পেরিয়ে জাজা এসেছিলেন এবারের টোকিও অলিম্পিকে। তবে পদকের লড়াইয়ে বেশি দূর আর এগোতে পারলেন না। প্রথম রাউন্ডে হারের পর জাজা তাঁর মতো যারা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে আছেন তাঁদের প্রতি বার্তা দিয়েছেন এভাবে, ‘স্বপ্ন পূরণে নিজের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাও। প্রতিবন্ধকতাগুলো বিবেচনায় না নিয়ে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাও। তবেই তুমি তোমার লক্ষ্যে পৌঁছাবে।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
১ ঘণ্টা আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে