
ইনগে সরেনসেনের নামটা এই প্রজন্মের সাঁতারপ্রেমীদের মনে থাকার কথা নয়। ১৯৩৬ সালের বার্লিন অলিম্পিকে ডেনিশ এই সাঁতারু যখন ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন, তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। অলিম্পিক গেমসের সাঁতারের ২০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে জেতা সে ব্রোঞ্জটাই খুদে এই সাঁতারুকে অনন্য উচ্চতায় তুলে দিয়েছিল। হয়েছিলেন অলিম্পিকের একক ইভেন্টে পদকজয়ী সবচেয়ে সর্বকনিষ্ঠ অলিম্পিয়ান।
৮৯ বছর আগের ইনগে সরেনসেনের স্মৃতি ফিরিয়ে এবার বিশ্ব সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জিতলেন চীনের ইউ জিদি। মাত্র ১২ বছর বয়সে। বিশ্ব সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপে ইউ জিদিই এখন পদকজয়ী সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারু। ইনগের পরই বৈশ্বিক বড় কোনো প্রতিযোগিতায় পদকজয়ী সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী ধরা হচ্ছে ইউ জিদিকেই।
তবে একক কোনো ইভেন্টে নয়, সাঁতারে চীনের বিস্ময় বালিকা পদক জিতেছেন ৪ গুণন ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল রিলেতে। এই ইভেন্টের হিটে সাঁতরে দলকে মেডেল রাউন্ডে তুলেছিলেন। যে কারণেই পরশু ফাইনালে জিদি না সাঁতরালেও চীন তৃতীয় হওয়ায় পেয়ে যাচ্ছেন ব্রোঞ্জ। এই বয়সেই বিশ্ব সাঁতারের ব্রোঞ্জ! ইউ জিদি বিস্মিতই বৈকি, আবেগাপ্লুতও। বললেন, ‘আমি বেশ আবেগাপ্লুত, দারুণ একটা অনুভূতিও হচ্ছে।’
১২ বছর বয়সেই পদক জিতে ইতিহাস গড়া ইউ জিদির সাঁতারে আসার পেছনে কিন্তু একটা গল্প আছে। ছোটবেলা থেকেই তিনি গরম সহ্য করতে পারতেন না। উপায় হিসেবে ছয় বছর বয়স থেকেই পানিতে নেমে সাঁতার কাটা। তখন কে জানত, এই সাঁতারই একদিন তাঁকে ইতিহাসে তুলে আনবে!

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৪৪ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে