
বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন চার্লস কস্তে আর নেই। ১০১ বছর বয়সে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। চার দিন হয়ে গেলেও তাঁর মৃত্যুর খবর জানা গেছে একটু দেরিতেই।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে কস্তে মারা গেছেন ৩০ অক্টোবর। গতকাল তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন ফ্রান্সের ক্রীড়ামন্ত্রী মারিয়ানা ফেরারি। এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে লন্ডন অলিম্পিকের চ্যাম্পিয়ন চার্লস কস্তে মারা গেছেন। খেলাধুলায় তিনি সমৃদ্ধ এক ঐতিহ্য।’ ১৯৪৮ লন্ডন অলিম্পিকে ছেলেদের টিম পারস্যুট ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন তিনি।
২০২৪-এর ২৬ জুলাই প্যারিসের টুইলারি বাগানে বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যাতেই জ্বলে উঠেছিল অলিম্পিক মশাল। কস্তের জীবনে সেটাই ছিল অন্যতম সুন্দর মুহূর্ত। হাতে থাকা মশাল সেদিন তুলে দিয়েছিলেন ফরাসি অলিম্পিয়ান টেডি রিনারের হাতে। প্যারিস অলিম্পিক শুরুর মাস খানেক আগে আয়োজকদের কাছ থেকে ফোনে তিনি জেনেছিলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে মশালবাহকদের একজন হতে যাচ্ছেন তিনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে কস্তে ছিলেন দারুণ এক সাইক্লিস্ট। যুদ্ধ শেষে ফের নেমেছিলেন ট্র্যাকে। ১৯৪৭ সালে ফ্রান্সের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন। পরের বছর লন্ডন অলিম্পিকে সাইক্লিংয়ের টিম পারস্যুট ইভেন্টে সেমিফাইনালে ব্রিটেন ও ফাইনালে ইতালিকে হারাতে বড় অবদান রেখেছিলেন।
এ বছরের ২ জানুয়ারিতে হাঙ্গেরিয়ান জিমন্যাস্ট আগনেস কেলেতি মারা গিয়েছিলেন ১০৩ বছর। যেখানে ৯ জানুয়ারি তাঁর ছিল ১০৪তম জন্মদিন। তবে তিনি হাঙ্গেরির মধ্যে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। তিনি মারা যাবার পর ১০ মাস শতবর্ষী অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ছিলেন কস্তে। সেই কস্তেও চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। মানচিত্রে খুঁজলে সহজে চোখেই পড়ে না। জনসংখ্যা মোটে পৌনে ছয় লাখ। কিন্তু আজ ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এই দেশটিতেই চোখ রাখবে বিশ্ব। রাত ১০টায় আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হবে তারা।
১৮ মিনিট আগে
এক দল বিশ্বকাপের চারবারের চ্যাম্পিয়ন। অপর দল এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে। প্রথম দুই লাইন পড়ে অনেকেই হয়তো অনুমান করতে পেরেছেন এখানে গত রাতের জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। হিউস্টনে গত রাতে নবাগত কুরাসাওকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে জার্মানি। গোলবন্যার এই ম্যাচ মনে করাল তিন বছর আগে আর্জেন্টিন
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে একবারই ফাইনালে উঠেছিল সুইডেন। ১৯৫৮ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপে সুইডিশরা রানার্সআপ হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে হেরে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপে তারা খুব একটা নিয়মিত নয়। এবার তারা ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ফিরল ৮ বছর পর।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নানা ইস্যুতে চলছে সমালোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, সেটা না বললেও চলে। গতকাল মেক্সিকোর তিহুয়ানা বেস ক্যাম্প থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর পর থেকে ইরানের ফুটবলার ও কোচ করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।
৩ ঘণ্টা আগে