একে একে চারটি অলিম্পিক। সময়ের ব্যবধান ১৭ বছরের। ১৭ বছর পর টেবিল টেনিসে প্রথমবারের মতো চীনকে টপকে সোনা জিতল অন্য কোনো দেশ। টোকিও অলিম্পিকে এই অসাধ্য কাজটা করে দেখালেন জাপানের দুই তারকা জুন মিজুতানি ও মিমা ইতো।
সোমবার মিশ্র দ্বৈত টেবিল টেনিসের ফাইনালে প্রথম দুটি গেমে জেতেন চীনা জুটি শু শিন ও লুই শিউয়েন। তৃতীয় গেমে চীনকে প্রথম ধাক্কা দেন জাপানি মিজুতানি-ইতো জুটি। ১১-৮ ব্যবধানে তৃতীয় গেম জিতে নেন এই জুটি। চতুর্থ ও পঞ্চম গেমও যায় জাপানের দখলে। ইতিহাস গড়ার থেকে মাত্র একটি গেম দূরে ছিলেন জাপানিরা। তবে ষষ্ঠ গেম ১১-৬ ব্যবধানে জিতে জাপানি জুটিকে চাপে ফেলে দেন শিন-শিউয়েন জুটি। বাজি তাঁদের পক্ষেই ছিল। কিন্তু টোকিও অলিম্পিকে যেন ভিন্ন কিছু দেখানোর জন্যই এসেছেন জাপানি মিজুতানি-ইতো জুটি।
শেষ পর্যন্ত ৫-১১, ৭-১১, ১১-৮, ১১-৯, ১১-৯, ৬-১১ এবং ১১-৬ গেমে জিতে সোনা জেতেন মিজুতানি-ইতো জুটি। জাপানি দুই তারকা চীনা জুটির কাছেই ২০১৯ সালের ওয়ার্ল্ড ট্যুর গ্র্যান্ড ফাইনাল এবং ওয়ার্ল্ড ট্যুর সুইডিশ ওপেনের ফাইনালে হেরেছিলেন। পরের বছর ওয়ার্ল্ড ট্যুরের জার্মান ওপেনের ফাইনালেও এই চীনা জুটির কাছেই হেরেছিলেন মিজুতানি-ইতো জুটি। সোনা জিতে যেন সেই প্রতিশোধটাই নিলেন জাপানি দুই তারকা।
সোনা জয়ের পর মিজুতানি বলেছেন, ‘আমরা অলিম্পিক ও আরও কয়েকটি প্রতিযোগিতায় চীনের কাছে বারবার হারছিলাম। টোকিও অলিম্পিকে ভিন্ন কিছুর চিন্তা ছিল। স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় দারুণ খুশি আমরা।’ ১৯৯৬ অলিম্পিক থেকে টেবিল টেনিসের সব সোনা জিতেছে চীন। শুধু ২০০৪ অলিম্পিকে পুরুষদের এককে সোনা জিততে পারেননি চীনারা। এবার সেখানে যোগ হলো টোকিও অলিম্পিকের মিশ্র দ্বৈত টেবিল টেনিস। দুই জাপানি তারকা মিজুতানি-ইতোর উচ্ছ্বাস ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য এর চেয়ে বড় তথ্য আর কী হতে পারে!

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
১ ঘণ্টা আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৫ ঘণ্টা আগে