Ajker Patrika

ইতালির মতো পরিণতি হয়েছিল আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডেরও

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ০৭
ইতালির মতো পরিণতি হয়েছিল আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডেরও
ইতালির মতো আর্জেন্টিনারও বিশ্বকাপ খেলতে না পারার বেদনায় পুড়তে হয়েছিল। ছবি: সংগৃহীত

১২ বছর পর বিশ্বকাপে উঠতে কেবল এক জয় দূরে ছিল ইতালি। বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনাকে হারালেই ইতালিয়ানরা ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট কাটত। কিন্তু গত রাতে জেনিকায় বিলিনো পোলজে স্টেডিয়ামে ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে বসনিয়ার কাছে হেরে আরও একবার বিশ্বকাপে না উঠতে পারায় বেদনায় পুড়তে হয়েছে ইতালিকে।

সবশেষ ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে ইতালি অংশ নিয়েছিল। কিন্তু ইতালির পরের গল্পটা শুধুই হতাশার। ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—এই তিন বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারেনি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শুধু ইতালিই নয়। আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ডের মতো হেভিওয়েট দলও খেলতে পারেনি ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু ঘটনা—

আর্জেন্টিনা: ১৯৭০

১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে আয়োজিত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে আর্জেন্টিনা। কিন্তু চার বছর পর মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের আগে বাছাইপর্বেই থমকে যায় আকাশি-নীলদের পথচলা।

ইংল্যান্ড: ১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ১৯৯৪

ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবল দলগুলোর একটি ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালে স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বকাপ জেতে তারা। তবে একবারের বিশ্বকাপজয়ী দলকে বিশ্বকাপে খেলতে না পারার বেদনায় পুড়তে হয়েছে দুবার।

১৯৭৪ বিশ্বকাপের আগে বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডকে হারালেই মূলপর্বে চলে যেত ইংল্যান্ড। কিন্তু ইংলিশদের বাঁচা-মরার ম্যাচে পোলিশ গোলরক্ষক ইয়ান তোমাশেভস্কি হয়ে যান চীনের মহাপ্রাচীর। পোল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করায় এই বিশ্বকাপে আর খেলা হয়নি ইংল্যান্ডের। ১৯৭৮ বিশ্বকাপেও বাছাইপর্বে থেমে যায় ইংলিশদের পথচলা।

ইংল্যান্ড এরপর ১৯৯৪ ফুটবল বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে পারেনি। তখন ইংলিশদের কোচ ছিলেন গ্রাহাম টেলর। বাছাইপর্বে একই গ্রুপে ছিল ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, তুরস্ক ও সান মারিনো। ডাচদের বিপক্ষে ড্র করলেই ইংলিশরা উঠে যেত মূলপর্বে। কিন্তু রোনাল্ড কোমান ফাউল করার পরও লাল কার্ড দেখানো হয়নি। শেষ পর্যন্ত ডাচরা ২-০ ব্যবধানে জিতলে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপে খেলতে না পারার বেদনায় পুড়তে হয়।

নেদারল্যান্ডস: ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৭০, ১৯৮২, ১৯৮৬, ২০০২ ও ২০১৮

টোটাল ফুটবলের জনক নামে পরিচিত ইয়োহান ত্রুইফের নেতৃত্বাধীন নেদারল্যান্ডস খেলতে থাকে দাপটের সঙ্গে। ১৯৭৪, ১৯৭৮ বিশ্বকাপে তারা হয়েছে রানার্সআপ। কিন্তু ১৯৮২ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বেলজিয়াম-ফ্রান্সের মতো কঠিন গ্রুপে পড়ে ডাচরা। এই দুই দলের কাছাকাছি নেদারল্যান্ডস তো হেরেছেই। এমনকি আয়ারল্যান্ডের কাছেও হেরে যায় ডাচরা। তাতে করে নেদারল্যান্ডসের আর ১৯৮২ বিশ্বকাপে খেলা হয়নি।

১৯৮৬ এবং ২০০২ সালের বিশ্বকাপে উঠতেও ব্যর্থ হয়েছিল নেদারল্যান্ডস। তবে ২০১৮ বিশ্বকাপে তাদের খেলতে না পারাটা ছিল অবাক করার মতোই।

২০১৭ সালে সুইডেনের কাছে প্লে-অফে হেরে ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি ইতালির। উত্তর মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে হারে কাতার বিশ্বকাপেও (২০২২ সাল) খেলা হয়নি আজ্জুরিদের। এবার ইতালি হেরে বসল বসনিয়ার কাছে। যেখানে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ইতালি অবস্থান করছে ১২ নম্বরে। আর বসনিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে ৬৫তম দল। আজ্জুরিদের তাই অপেক্ষা করতে হবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

প্রাথমিকেও চালু হচ্ছে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস

বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত

২০২৬ সালের ঈদুল আজহা কবে, যা জানা গেল

কিশোরগঞ্জে যুবদল নেতার হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

‘ওকে লাথি মেরে বের করে দিন’—নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুদ্ধে পাঠাতে বললেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত