
পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) আজ ছিল বাংলাদেশের পেস ব্যাটারির লড়াই। একদিকে পেশোয়ার জালমির হয়ে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা, অন্যদিকে লাহোর কালান্দার্সের জার্সিতে লড়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। দিনশেষে জয়ের হাসি হেসেছে শরীফুল-রানাদের পেশোয়ার। লাহোরকে ৭৬ রানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করেছে তারা।
করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৭৩ রান করে পেশোয়ার। দলের হয়ে ৪৮ বলে সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন শ্রীলঙ্কান উইকেটকিপার ব্যাটার কুশল মেন্ডিস। লাহোরের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। তিনি ফিরিয়েছেন মাইকেল ব্রেসওয়েল ও আমের জামালকে। এছাড়া এই ম্যাচেই প্রথম ব্যাটার হিসেবে পিএসএলে ৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করার অনন্য কীর্তি গড়েন বাবর আজম।
১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই শরীফুলের তোপের মুখে পড়ে লাহোর। দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ নাঈমকে সাজঘরের পথ দেখান এই বাঁহাতি পেসার। এরপর শুরু হয় নাহিদ রানার গতি ও বাউন্সারের ঝড়। থিতু হতে যাওয়া আবদুল্লাহ শফিককে (২১) দারুণ এক বাউন্সারে ফেরান তিনি। পরে উসমান মিরকেও আউট করে লাহোরের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন রানা। ৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। জেতেন স্মার্ট উইকেটের পুরস্কারও শরীফুল ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন ১টি উইকেট। লাহোর গুটিয়ে যায় ৯৭ রানেই।
এই জয়ে ৫ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে পেশোয়ার। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মুলতান সুলতানস। ৫ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে রয়েছে মোস্তাফিজদের লাহোর কালান্দার্স।

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
১ ঘণ্টা আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে