
মোহাম্মদ মানিকের একমাত্র গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ১–০ ব্যবধানে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে। পুরো ম্যাচে আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে নেপালি রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখেন যুবারা ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। সপ্তম মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছিল। মুরশেদ আলীর পাস থেকে নাজমুল হুদা ফয়সাল বল পেলেও তাঁর শট গোলপোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে চলে যায়। অথচ ডি-বক্সে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন রোনান সুলিভান। তবে সেই আক্ষেপ ঘুচতে বেশি সময় লাগেনি।
ম্যাচের ১১ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কর্নার কিক থেকে মুরশেদ আলীর বাড়ানো নিখুঁত ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে জাল খুঁজে নেন মোহাম্মদ মানিক। তাঁর দর্শনীয় হেডে লিড নেয় বাংলাদেশ। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে নেপাল। তবে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের সজাগ দৃষ্টি আর সুশৃঙ্খল রক্ষণের সামনে সুবিধা করতে পারেনি তারা।
বিরতির ঠিক আগে রোনান সুলিভান একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। বিরতির পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশও। ৫৪ মিনিটে জয়ের কাছে একটি সুযোগ এলেও তিনি পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে ৬০ মিনিটে নেপালের বিজ্ঞান খাদকার ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বাংলাদেশের যুবারা। মানিকের সেই শুরুর গোলটিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ভালো খেলেও ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এই হারের ছাপ পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৮১তম।
২ ঘণ্টা আগে
নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ১-০ ব্যবধানে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে বাংলাদেশের যুবারা। মোহাম্মদ মানিকের দুর্দান্ত এক হেডে জয়সূচক গোলের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিগ্ভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা।
৬ ঘণ্টা আগে