আগের ম্যাচেই বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৩-০ গোলে উড়ে গেছে বার্সেলোনা। এরপর থেকেই কোচ রোনাল্ড কোমানকে ছাঁটাইয়ের দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের দুঃস্মৃতি ভুলে চলতি সপ্তাহে স্প্যানিশ লা লিগার ম্যাচ তিনটিতে জয়ের আশ্বাস দিয়েছিলেন কোমান। কিন্তু তার ছিটেফোঁটাও দেখা গেল না মাঠের পারফরম্যান্সে।
জয় দূরে থাক, রোনাল্ড আরাউহোর শেষ মুহূর্তের গোলে গত রাতে কোনো রকমে হার এড়িয়েছে বার্সা। পয়েন্ট তালিকার তলানির দিকের দল গ্রানাদার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা।
ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে টানা দুটি মলিন পারফরম্যান্সের পর স্বাভাবিকভাবেই কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে কোমানকে। জেরার্দ পিকে-রিকি পুজদের দেরিতে নামানোয় কোচের কৌশল নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
অথচ এমন হতাশজনক ফলের পর বাস্তবতা মেনে নিলেন কোমান। ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কাকে তিনি বললেন, ‘আমাদের বর্তমান স্কোয়াডের দিকে তাকান। এখানে টিকি-টাকা যুগের কেউ নেই। আট বছর আগের বার্সার সঙ্গে আপনি এই দলকে মেলাতে পারেন না।’
কোনো রকমে হার এড়ানোকেই ‘বেশ ভালো’ বলছেন কোমান, ‘দল হিসেবে আমরা বেশ ভালোই করেছি। (আনসু) ফাতি নেই, (ওসমান) দেম্বেলেরা থাকলে হয়তো আমরা জিততেও পারতাম। তাই নিজস্ব পদ্ধতিতেই খেলতে হচ্ছে।’

গত ১৪ বছর ধরে জাতীয় দলের গোলপোস্ট সামলানো ভোজিনিয়ার জন্য স্পেনের বিপক্ষের ম্যাচটি ছিল ৯০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগেই ক্লাবহীন হয়ে পড়েন তিনি; শেষ হয়ে যায় পর্তুগিজ ক্লাব জিদি চাভেসের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ। তবে সম্পূর্ণ ক্লাবহীন থাকার এই মানসিক চাপ মাঠের পারফরম্যান্সে বিন্দুম
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের আসল সৌন্দর্য সম্ভবত এখানেই লুকিয়ে থাকে, যেখানে খাতা-কলমের পরিসংখ্যান আর ফিফা র্যাঙ্কিং মাঠের ৯০ মিনিটের কাছে এসে একেবারে অর্থহীন হয়ে পড়ে। তা নয়তো কী! একদিকে র্যাঙ্কিংয়ের ৩ নম্বরে থাকা শিরোপার অন্যতম দাবিদার স্পেন, যাদের স্কোয়াড ঠাসা ইউরোপ সেরাদের নিয়ে। অন্যদিকে ৬৪ নম্বরে থাকা আফ্রিকার ছোট
২ ঘণ্টা আগে
মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর আজ ছিল ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্রামের দিন। সকালে রিকভারি সেশনের পর টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে পুরো দলকে ছুটি দেওয়া হয়। সেই সুযোগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে।
৩ ঘণ্টা আগে
২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া এক দুর্দান্ত হাফ ভলি জড়াল জালে। গ্যালারিতে তখন বুনো উল্লাস। এমন একটা নান্দনিক গোলের পর জার্সি খুলে ভোঁ-দৌড় দেওয়া কিংবা দর্শকদের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু গোলদাতা ইয়াসিন আয়ারি কেবল হাত দুটো জোড় করলেন, এরপর নতজানু হয়ে চুম্বন করলেন সবুজ ঘাসকে।
৩ ঘণ্টা আগে