বল জালে জড়ানো মাত্রই হাত উঁচিয়ে সতীর্থদের সতর্ক করে দিলেন ব্রিল এমবোলো। বুঝিয়ে দিলেন, উদযাপন করতে যেন তাঁকে বাধ্য করা না হয়।
সুইজারল্যান্ড যতই হোক জাতীয় দল, মাতৃভূমি ক্যামেরুনের বিপক্ষে গোল করার পর এমবোলোর চেহারাই বলে দিল এক গোলে কতটা অনুতপ্ত তিনি!
মা-বাবার বিচ্ছেদের পর পাঁচ বছর বয়সে ফ্রান্সে চলে আসেন এমবোলো। সেখান থেকে কৈশোরে সুইজারল্যান্ডে থিতু হওয়া তাঁর পরিবারের। বাবা এখনো থাকেন ক্যামেরুনে। সেখান থেকেই ছেলের গোলে হয়তো দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন এমবোলোর বাবা। ছেলের গোলে উচ্ছ্বাস করার কিছু নেই কারণ এমবোলোর করা একমাত্র গোলেই ক্যামেরুনকে ১-০ গোলে হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড।
মাতৃভূমির বিপক্ষে গোল করলেও দল সুইজারল্যান্ডকে মূল্যবান ৩ পয়েন্ট এনে দিয়েছেন এমবোলো। ‘জি’ গ্রুপে আছে ব্রাজিল, সার্বিয়ার মতো আরও কঠিন দুই দল। এই জয়ে কঠিন লড়াইয়ের আগে খানিকটা স্বস্তিতে দম নেওয়ার সুযোগ পাবে সুইসরা।
আল জানুব স্টেডিয়ামে শুরুটা সাবধানী থেকে দুই দলই চেষ্টা করেছে নিজেদের উইঙ্গারদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে। এমনই এক কৌশলে ডানপ্রান্ত ধরে ৩০ মিনিটে ভালো একটা সুযোগ বের করেছিল ক্যামেরুন। মার্টিন হোংলার কোনাকুনি শট ঠেকিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সোমার।
প্রান্তধরে খেলাটা প্রথমার্ধে ভালোই খেলেছে দুই দল। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে ম্যানসিটি তারকা ম্যানুয়েল আকানজির হেড কয়েক ইঞ্চি ভেতরে থাকলেই গোল পেত সুইজারল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ম্যাচের রং ফেরায় সুইজারল্যান্ড। ৪৮ মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে জেরদান শাকিরির ক্রস বুঝতে ভুল করেন ক্যামেরুনের ডিফেন্ডাররা। শাকিরির ক্রসে ফাঁকায় বল পান এমবোলো। সুন্দর করে সাজানো বলটা নিজের মাতৃভূমির ক্যামেরুনের জালে জড়িয়ে কোনো উদযাপনই করেননি ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।
পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে গেছে ক্যামেরুন। ৬৬ মিনিটে আন্দ্রে আঙ্গুইসার হেড ঠেকান সুইস গোলরক্ষক সমার। পাল্টা আক্রমণে শাকিরির ক্রস থেকে রুবেন ভার্গাসের শট ঠেকান ক্যামেরুন গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা। কর্নার থেকে আবারও বল জালে জড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি এমবোলো। অতিরিক্ত সময়ে হারিস সেফেরোভিচের শট লক্ষ্যে থাকলেও বল জালে জড়ানোর আগে ফিরিয়ে দেন চালর্স কাসতেলেত্তো।

ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে একবারই ফাইনালে উঠেছিল সুইডেন। ১৯৫৮ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপে সুইডিশরা রানার্সআপ হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে হেরে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপে তারা খুব একটা নিয়মিত নয়। এবার তারা ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ফিরল ৮ বছর পর।
১১ মিনিট আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নানা ইস্যুতে চলছে সমালোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, সেটা না বললেও চলে। গতকাল মেক্সিকোর তিহুয়ানা বেস ক্যাম্প থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর পর থেকে ইরানের ফুটবলার ও কোচ করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে শেষ পর্যন্ত যেতেই হলো ইরান ফুটবল দলকে। বেস ক্যাম্প মেক্সিকোতে হলেও ইরানের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন মুলুকে পৌঁছে খোদ আয়োজকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ইরান দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনি। সরাসরি না বললেও দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
২ ঘণ্টা আগে