ক্রীড়া ডেস্ক

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অনেক রেকর্ড ধরা দিয়েছে লিওনেল মেসির হাতে। ক্যারিয়ারের অন্তিম পর্যায়ে এসে আরও একটি রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। তাঁর রেকর্ডের দিনে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কাপ প্লে-অফের কনফারেন্স সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইন্টার মায়ামি।
এমএলএস কাপ প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় ম্যাচে ন্যাশভিলকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে মায়ামি। জয় দিয়ে শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে যায় ফ্লোরিডার ক্লাবটি। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ সমতায় থাকায় শেষ ম্যাচটি অলিখিত ফাইনালে রূপ নিয়েছিল। এমন সমীকরণে মায়ামির কাছে পাত্তাই পেল না ন্যাশভিল।
ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসেও নিয়মিত গোলের দেখা পাচ্ছেন মেসি। ন্যাশভিলের বিপক্ষেও দেখা গেল তেমন চিত্র। মায়ামিকে সেমিফাইনালে নিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন ১০ নম্বর জার্সিধারী। দুটি গোল করেন তিনি। এ ছাড়া সতীর্থ তাদেই আলেন্দেকে দিয়েও একটি গোল করান। এটা মেসির ক্যারিয়ারের ৪০০তম অ্যাসিস্ট।
পেশাদার ফুটবলে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন, এমন কারও এই কীর্তি নেই। সব মিলিয়ে তালিকার শীর্ষে আছেন ফেরেঙ্ক পুসকাস। ৪০৪টি অ্যাসিস্ট আছে হাঙ্গেরির কিংবদন্তি ফুটবলারের নামের পাশে। পুসকাসকে পেছনে ফেলে শীর্ষে ওঠা মেসির জন্য শুধু সময়ের ব্যাপার।
চেজে স্টেডিয়ামে এগিয়ে যেতে বেশি সময় নেয়নি মায়ামি। দশম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে প্রতিপক্ষের চার ডিফেন্ডারের বাধা পেরিয়ে বাঁ পায়ের শটে জাল কাঁপান মেসি। ৩৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাবেক পিএসজি তারকা। ৭৩ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন আলেন্দে। জর্দি আলবার বাড়ানো বল থেকে ঠিকানা খুঁজে নেন এই আর্জেন্টাইন উইঙ্গার। তিন মিনিট পর মেসির রেকর্ড গড়া অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান বাড়ান আলেন্দে। মায়ামির গোল উৎসবের দিনে একরকম দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে ন্যাশভিল। কনফারেন্স ফাইনালে ওঠার মিশনে মেসি-আলবাদের প্রতিপক্ষ সিনসিনাটি।

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অনেক রেকর্ড ধরা দিয়েছে লিওনেল মেসির হাতে। ক্যারিয়ারের অন্তিম পর্যায়ে এসে আরও একটি রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। তাঁর রেকর্ডের দিনে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কাপ প্লে-অফের কনফারেন্স সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইন্টার মায়ামি।
এমএলএস কাপ প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় ম্যাচে ন্যাশভিলকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে মায়ামি। জয় দিয়ে শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে যায় ফ্লোরিডার ক্লাবটি। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ সমতায় থাকায় শেষ ম্যাচটি অলিখিত ফাইনালে রূপ নিয়েছিল। এমন সমীকরণে মায়ামির কাছে পাত্তাই পেল না ন্যাশভিল।
ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসেও নিয়মিত গোলের দেখা পাচ্ছেন মেসি। ন্যাশভিলের বিপক্ষেও দেখা গেল তেমন চিত্র। মায়ামিকে সেমিফাইনালে নিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন ১০ নম্বর জার্সিধারী। দুটি গোল করেন তিনি। এ ছাড়া সতীর্থ তাদেই আলেন্দেকে দিয়েও একটি গোল করান। এটা মেসির ক্যারিয়ারের ৪০০তম অ্যাসিস্ট।
পেশাদার ফুটবলে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন, এমন কারও এই কীর্তি নেই। সব মিলিয়ে তালিকার শীর্ষে আছেন ফেরেঙ্ক পুসকাস। ৪০৪টি অ্যাসিস্ট আছে হাঙ্গেরির কিংবদন্তি ফুটবলারের নামের পাশে। পুসকাসকে পেছনে ফেলে শীর্ষে ওঠা মেসির জন্য শুধু সময়ের ব্যাপার।
চেজে স্টেডিয়ামে এগিয়ে যেতে বেশি সময় নেয়নি মায়ামি। দশম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে প্রতিপক্ষের চার ডিফেন্ডারের বাধা পেরিয়ে বাঁ পায়ের শটে জাল কাঁপান মেসি। ৩৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাবেক পিএসজি তারকা। ৭৩ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন আলেন্দে। জর্দি আলবার বাড়ানো বল থেকে ঠিকানা খুঁজে নেন এই আর্জেন্টাইন উইঙ্গার। তিন মিনিট পর মেসির রেকর্ড গড়া অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান বাড়ান আলেন্দে। মায়ামির গোল উৎসবের দিনে একরকম দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে ন্যাশভিল। কনফারেন্স ফাইনালে ওঠার মিশনে মেসি-আলবাদের প্রতিপক্ষ সিনসিনাটি।

নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
২২ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে